ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড পাবে না

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • / 195
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির এক নেতার বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড পাবে না’—এমন মন্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া প্রায় ২৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহ আলমকে (শানু) বলতে শোনা যায়, ‘যারা আজকের মিটিংয়ে আসেন নাই, তাদের ছবি তুলে রাখেন। আমরা যারা পারিবারিক কার্ড শুরু করেছি, যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড পাবে না। 

দল করবেন, বিএনপি-তারেক রহমানের কথা শুনবেন না, দলের কথা শুনবেন না, আপনাদের পূজা দেমু? কোনো সন্ত্রাসী আর চলবে না এ দেশে। সৈয়দ নাই, তালুকদার নাই, জমিদার নাই।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার চরবোরহান ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি কর্মীসভা হয়। সভায় বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে শাহ আলম শানু এসব মন্তব্য করেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান (টোটন) বলেন, “সরকারের যেকোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা দেশের সব নাগরিকই গ্রহণ করতে পারবেন। এখানে কোনো ধরনের বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রকৃত অসহায় মানুষের মধ্যে এসব সুবিধা বণ্টন করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দলের নিজস্ব লোকদের মধ্যে বণ্টনের সুযোগ নেই। কেউ যদি এ বিষয়ে মনগড়া মন্তব্য করে থাকেন, তাহলে সেটি ভুল ব্যাখ্যা এবং এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে।’’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহ আলম শানু বলেন, “তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে এমন কথা বলেননি।’’

তার দাবি, ৫ আগস্টের পর যারা লুটপাট, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত তাদের উদ্দেশে করেই তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

শাহ আলম শানু বলেন, “আমি বলেছি যারা এসব অপকর্ম করছে তারা সরকারের কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবে না। সাধারণ মানুষের কথা সেখানে বলা হয়নি। আমার বক্তব্যের ভিডিওটি সামনে-পেছনের অংশ কেটে আংশিকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড পাবে না

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির এক নেতার বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড পাবে না’—এমন মন্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া প্রায় ২৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহ আলমকে (শানু) বলতে শোনা যায়, ‘যারা আজকের মিটিংয়ে আসেন নাই, তাদের ছবি তুলে রাখেন। আমরা যারা পারিবারিক কার্ড শুরু করেছি, যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড পাবে না। 

দল করবেন, বিএনপি-তারেক রহমানের কথা শুনবেন না, দলের কথা শুনবেন না, আপনাদের পূজা দেমু? কোনো সন্ত্রাসী আর চলবে না এ দেশে। সৈয়দ নাই, তালুকদার নাই, জমিদার নাই।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার চরবোরহান ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি কর্মীসভা হয়। সভায় বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে শাহ আলম শানু এসব মন্তব্য করেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান (টোটন) বলেন, “সরকারের যেকোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা দেশের সব নাগরিকই গ্রহণ করতে পারবেন। এখানে কোনো ধরনের বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রকৃত অসহায় মানুষের মধ্যে এসব সুবিধা বণ্টন করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দলের নিজস্ব লোকদের মধ্যে বণ্টনের সুযোগ নেই। কেউ যদি এ বিষয়ে মনগড়া মন্তব্য করে থাকেন, তাহলে সেটি ভুল ব্যাখ্যা এবং এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে।’’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহ আলম শানু বলেন, “তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে এমন কথা বলেননি।’’

তার দাবি, ৫ আগস্টের পর যারা লুটপাট, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত তাদের উদ্দেশে করেই তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

শাহ আলম শানু বলেন, “আমি বলেছি যারা এসব অপকর্ম করছে তারা সরকারের কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবে না। সাধারণ মানুষের কথা সেখানে বলা হয়নি। আমার বক্তব্যের ভিডিওটি সামনে-পেছনের অংশ কেটে আংশিকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।