ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস Logo দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ Logo প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ   Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক

সমতল-পাহাড়ে বৈষম্য নয়, সমান উন্নয়নই লক্ষ্য, পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 34
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মেহেদী হাসান, রাঙামাটি প্রতিনিধি :

 

সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আয়োজিত পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব—বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়ি ও বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন নামে পরিচিত হলেও পাহাড়ের এসব উৎসবের মূল বার্তা এক—সম্প্রীতি ও মৈত্রী। প্রতিটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে তাদের নিজস্ব পরিচয়েই সম্মান জানানো হবে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বাঙালির নববর্ষ এবং পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলো মিলেমিশে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এই সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরারও আহ্বান জানান তিনি।

 

রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে রয়েছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, খেলাধুলা, পণ্য প্রদর্শনী ও নাট্য মঞ্চায়নসহ নানা আয়োজন।

 

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।

 

উল্লেখ্য, আগামী ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে উদযাপিত হবে এবং মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘জলকেলি’ উৎসবের মাধ্যমে এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে। অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী সবাইকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সমতল-পাহাড়ে বৈষম্য নয়, সমান উন্নয়নই লক্ষ্য, পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

 

মেহেদী হাসান, রাঙামাটি প্রতিনিধি :

 

সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আয়োজিত পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব—বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়ি ও বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন নামে পরিচিত হলেও পাহাড়ের এসব উৎসবের মূল বার্তা এক—সম্প্রীতি ও মৈত্রী। প্রতিটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে তাদের নিজস্ব পরিচয়েই সম্মান জানানো হবে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বাঙালির নববর্ষ এবং পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলো মিলেমিশে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এই সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরারও আহ্বান জানান তিনি।

 

রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে রয়েছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, খেলাধুলা, পণ্য প্রদর্শনী ও নাট্য মঞ্চায়নসহ নানা আয়োজন।

 

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।

 

উল্লেখ্য, আগামী ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে উদযাপিত হবে এবং মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘জলকেলি’ উৎসবের মাধ্যমে এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে। অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী সবাইকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের আহ্বান জানান।