ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেষ হলো অমর একুশে বইমেলা Logo নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে এক টাকা বেশি নেয়ার সুযোগ নেই:সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী Logo পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo জ্বালানি তেলের রেশনিং সীমা তুলে নিয়েছে সরকার Logo ওয়াকআউট করার অধিকার বিরোধী দলের রয়েছে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ Logo খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ Logo তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করতে পারেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা Logo জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে পুলিশ Logo অযথা আতঙ্ক ও ভীতি সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে: শায়খ আহমাদুল্লাহ Logo আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ

চীন বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল-পেয়ারা আমদানি করতে চায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 260
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ থেকে কাঁচা আম আমদানির পর তার দেশ এবার কাঁঠাল ও পেয়ারার মতো ফল আমদানির জন্য জোরালোভাবে কাজ করছে।


তিনি আরও বলেন, চীনের বাজারে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি উন্নতমানের কৃষিপণ্য প্রবেশ করছে। চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশি কাঁচা আমের প্রথম চালান সফলভাবে চীনে রফতানি করা হয়েছিল এবং আমরা এখন কাঁঠাল ও পেয়ারার প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি।


গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দেশ দু’টির দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।


তিনি আরও বলেন, গত বছরের আগস্ট থেকে ২০টিরও বেশি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি করযোগ্য পণ্যের শতভাগের বেশি শূন্য-শুল্ক আরোপ করেছে, যা উভয়ের সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি বেইজিংয়ের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।


তিনি বলেন, বস্ত্র শিল্পে সবুজ রূপান্তর উন্নীত করতে জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ প্রবর্তনে সহায়তা করতে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রদূত ইয়াও একটি টেকসই সবুজ শিল্প শৃঙ্খল গড়ে তোলার জন্য টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি, ডিজিটাল প্রিন্টিং এবং স্মার্ট উৎপাদন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৫ সালকে গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে অভিহিত করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব সবসময় লাভজনক সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে।


তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গ্লোবাল গভর্নেন্স ইনিশিয়েটিভ (জিজিআই)-এর কথাও উল্লেখ করেন, যা সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইন, বহুপাক্ষিকতা এবং জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়নকে সমর্থন করে। চীন বিশ্বাস করে যে- এটি ন্যায্য, আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির দিকে বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড আয়োজিত তিন দিনের এই প্রদর্শনীটি বাংলাদেশে চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন (সিইএবি)-এর উদ্যোগে যৌথভাবে আয়োজিত। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং সাংহাই জলবায়ু সপ্তাহ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়েছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস. এম. জাহিদ হাসান, বিসিসিআই সভাপতি খোরশেদ আলম, সিইএবি সভাপতি হান কুন এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চীন বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল-পেয়ারা আমদানি করতে চায়

আপডেট সময় : ০২:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ থেকে কাঁচা আম আমদানির পর তার দেশ এবার কাঁঠাল ও পেয়ারার মতো ফল আমদানির জন্য জোরালোভাবে কাজ করছে।


তিনি আরও বলেন, চীনের বাজারে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি উন্নতমানের কৃষিপণ্য প্রবেশ করছে। চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশি কাঁচা আমের প্রথম চালান সফলভাবে চীনে রফতানি করা হয়েছিল এবং আমরা এখন কাঁঠাল ও পেয়ারার প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি।


গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দেশ দু’টির দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।


তিনি আরও বলেন, গত বছরের আগস্ট থেকে ২০টিরও বেশি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি করযোগ্য পণ্যের শতভাগের বেশি শূন্য-শুল্ক আরোপ করেছে, যা উভয়ের সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি বেইজিংয়ের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।


তিনি বলেন, বস্ত্র শিল্পে সবুজ রূপান্তর উন্নীত করতে জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ প্রবর্তনে সহায়তা করতে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রদূত ইয়াও একটি টেকসই সবুজ শিল্প শৃঙ্খল গড়ে তোলার জন্য টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি, ডিজিটাল প্রিন্টিং এবং স্মার্ট উৎপাদন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৫ সালকে গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে অভিহিত করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব সবসময় লাভজনক সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে।


তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গ্লোবাল গভর্নেন্স ইনিশিয়েটিভ (জিজিআই)-এর কথাও উল্লেখ করেন, যা সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইন, বহুপাক্ষিকতা এবং জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়নকে সমর্থন করে। চীন বিশ্বাস করে যে- এটি ন্যায্য, আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির দিকে বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড আয়োজিত তিন দিনের এই প্রদর্শনীটি বাংলাদেশে চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন (সিইএবি)-এর উদ্যোগে যৌথভাবে আয়োজিত। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং সাংহাই জলবায়ু সপ্তাহ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়েছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস. এম. জাহিদ হাসান, বিসিসিআই সভাপতি খোরশেদ আলম, সিইএবি সভাপতি হান কুন এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।