ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ   Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক Logo ৫ দফা দাবী সহ শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের মানববন্ধন কর্মসূচি Logo পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে বাংলাদেশ Logo পাম্প থেকে তেল নিতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ Logo খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর-এর মমতাময়ী মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার

দেবকে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 200
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


রুক্মিণী মৈত্র যখন দেবকে প্রথমবার নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তখন পরিবারের ভেতরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি- উত্তেজনা, বিস্ময় আর খানিকটা মজা। কারণ দেব তখন বাংলা ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন, অথচ রুক্মিণীর বাবা তাকে একেবারেই চিনতেন না।
রুক্মিণীর বাবা সিনেমার মানুষ নন। বরং বলা ভালো, তিনি সিনেমা দেখার অভ্যাসই হারিয়ে ফেলেছিলেন বহু বছর আগে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু ছবি, বা শোলে- এই কয়েকটি ক্লাসিক ছাড়া নতুন যুগের কোনও সিনেমাই তার চোখে পড়েনি। নায়কের নাম, ছবির সাফল্য, আলোচিত তারকা- এসব তার বাইরের জগৎ। তাই দেব তার সামনে দাঁড়িয়েও কোনও সেলিব্রিটি পরিচয়ের ভার অনুভব করাতে পারেননি।
এই অজানা পরিচয়ের মাঝেই গড়ে উঠেছিল এক সরল, স্বাভাবিক আলাপচারিতা। দেব নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন একেবারে সহজভাবে- দীপক অধিকারী হিসেবে। বলেছিলেন, তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় পড়েছেন, সামনে রাজনৈতিক পথচলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কথা শুনে রুক্মিণীর বাবারও আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি রাজনীতির বিষয়গুলো খুব ভালো বোঝেন। অভিনেতা না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেব তার সঙ্গে কথা বলেছেন- এটিই রুক্মিণীর পরিবারের কাছে আজও স্মৃতিমধুর।
সেদিনের সেই দেখা কোনও তারকাখ্যাতি কিংবা উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল না। বরং আর পাঁচটা পরিচয়ের মতোই ছিল সহজ, স্বচ্ছ আর সাধারণ। এই সরলতাই নাকি রুক্মিণীর পরিবারকে দেবের প্রতি আরও কাছাকাছি করে দিয়েছিল। আর দেবও বুঝেছিলেন, খ্যাতির জগৎ যতই বড় হোক, পরিবারের ভেতরের এই স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতার মূল্যই সবচেয়ে বেশি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেবকে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


রুক্মিণী মৈত্র যখন দেবকে প্রথমবার নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তখন পরিবারের ভেতরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি- উত্তেজনা, বিস্ময় আর খানিকটা মজা। কারণ দেব তখন বাংলা ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন, অথচ রুক্মিণীর বাবা তাকে একেবারেই চিনতেন না।
রুক্মিণীর বাবা সিনেমার মানুষ নন। বরং বলা ভালো, তিনি সিনেমা দেখার অভ্যাসই হারিয়ে ফেলেছিলেন বহু বছর আগে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু ছবি, বা শোলে- এই কয়েকটি ক্লাসিক ছাড়া নতুন যুগের কোনও সিনেমাই তার চোখে পড়েনি। নায়কের নাম, ছবির সাফল্য, আলোচিত তারকা- এসব তার বাইরের জগৎ। তাই দেব তার সামনে দাঁড়িয়েও কোনও সেলিব্রিটি পরিচয়ের ভার অনুভব করাতে পারেননি।
এই অজানা পরিচয়ের মাঝেই গড়ে উঠেছিল এক সরল, স্বাভাবিক আলাপচারিতা। দেব নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন একেবারে সহজভাবে- দীপক অধিকারী হিসেবে। বলেছিলেন, তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় পড়েছেন, সামনে রাজনৈতিক পথচলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কথা শুনে রুক্মিণীর বাবারও আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি রাজনীতির বিষয়গুলো খুব ভালো বোঝেন। অভিনেতা না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেব তার সঙ্গে কথা বলেছেন- এটিই রুক্মিণীর পরিবারের কাছে আজও স্মৃতিমধুর।
সেদিনের সেই দেখা কোনও তারকাখ্যাতি কিংবা উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল না। বরং আর পাঁচটা পরিচয়ের মতোই ছিল সহজ, স্বচ্ছ আর সাধারণ। এই সরলতাই নাকি রুক্মিণীর পরিবারকে দেবের প্রতি আরও কাছাকাছি করে দিয়েছিল। আর দেবও বুঝেছিলেন, খ্যাতির জগৎ যতই বড় হোক, পরিবারের ভেতরের এই স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতার মূল্যই সবচেয়ে বেশি