ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সীমান্তে শিশু গুলিবিদ্ধ ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ Logo ৭০ জনের আপিল শুনানি, ৪০ জনের আপিল মঞ্জুর Logo কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য ও স্থায়ী কমিশন দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের Logo স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে: হাইকোর্ট Logo প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬ Logo বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ঢাকা Logo নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পোস্টাল ভোটে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে (ইসি) Logo আমরা সবাই মিলে গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতন করবো: তথ্য সচিব Logo হলফনামায় ৫০ তোলা স্বর্ণ শামা ওবায়েদের, মোট সম্পদ ও বার্ষিক আয় কত ? Logo খেজুর রসে বাদুড়ের লালা থেকে নিপাহ ভাইরাস,৩৪ জেলায় মৃত্যুহার ৭১ শতাংশ

ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন – ইলিয়াস হোসেন মাঝি।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৯২ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন – ইলিয়াস হোসেন মাঝি।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম ।

 

ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন মন্তব্য করে আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, এবারের নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর ভূমিকা ঐতিহাসিক হতে পারে যা সাধারণত একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক দলগুলোকে সমান সুযোগ দেওয়া এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ত্রুটিমুক্ত রাখার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন। তবে অতীতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকায় এবারের ভূমিকা বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর ওপর নির্ভর করছে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ও জনগণের আস্থা, যা স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এই নির্বাচন থেকে প্রতিষ্ঠান গুলো যদি তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তবে তা দেশের ইতিহাসে একটি অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ জনতা সংস্কৃতিক ফ্রন্টের সাধারন সম্পাদক ও নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি আরো বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন মানে শুধু ভোট দেওয়া নয় বরং ভোটদানের প্রক্রিয়াটিতে সকল যোগ্য নাগরিকের সমান ও অবাধ অংশগ্রহণ। ভোট দেওয়া একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার যা খাদ্য ও বস্ত্রের অধিকারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন মানে জনগণের প্রতিনিধি বাছাই করার প্রক্রিয়া, যেখানে নাগরিকরা ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের নেতা নির্বাচন করবে। যা গনতন্ত্র শাসন প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণের একটি মূল উপায় এবং এটি জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করে। একটি অংশ গ্রহন মূলক নির্বাচন মানেই জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ যেখানে তারা নির্ভয়ে ও স্বাধীন ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।

সাবেক ছাত্রনেতা ও নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বিশেষত জাতীয় সংকট মোকাবিলা, গনতন্ত্র রক্ষা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। এটি না থাকলে এককভাবে সরকার গঠন ও টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে তাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। যে কোন অপশক্তি প্রতিরোধ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে একক কোনো ব্যক্তি বা সরকার যথেষ্ট নয়। এজন্য সকল দলের ঐক্য প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন – ইলিয়াস হোসেন মাঝি।

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন – ইলিয়াস হোসেন মাঝি।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম ।

 

ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন মন্তব্য করে আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, এবারের নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর ভূমিকা ঐতিহাসিক হতে পারে যা সাধারণত একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক দলগুলোকে সমান সুযোগ দেওয়া এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ত্রুটিমুক্ত রাখার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন। তবে অতীতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকায় এবারের ভূমিকা বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর ওপর নির্ভর করছে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ও জনগণের আস্থা, যা স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এই নির্বাচন থেকে প্রতিষ্ঠান গুলো যদি তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তবে তা দেশের ইতিহাসে একটি অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ জনতা সংস্কৃতিক ফ্রন্টের সাধারন সম্পাদক ও নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি আরো বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন মানে শুধু ভোট দেওয়া নয় বরং ভোটদানের প্রক্রিয়াটিতে সকল যোগ্য নাগরিকের সমান ও অবাধ অংশগ্রহণ। ভোট দেওয়া একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার যা খাদ্য ও বস্ত্রের অধিকারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন মানে জনগণের প্রতিনিধি বাছাই করার প্রক্রিয়া, যেখানে নাগরিকরা ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের নেতা নির্বাচন করবে। যা গনতন্ত্র শাসন প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণের একটি মূল উপায় এবং এটি জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করে। একটি অংশ গ্রহন মূলক নির্বাচন মানেই জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ যেখানে তারা নির্ভয়ে ও স্বাধীন ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।

সাবেক ছাত্রনেতা ও নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বিশেষত জাতীয় সংকট মোকাবিলা, গনতন্ত্র রক্ষা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। এটি না থাকলে এককভাবে সরকার গঠন ও টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে তাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। যে কোন অপশক্তি প্রতিরোধ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে একক কোনো ব্যক্তি বা সরকার যথেষ্ট নয়। এজন্য সকল দলের ঐক্য প্রয়োজন।