ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য ও স্থায়ী কমিশন দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৭৮ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন এবং চাষী মজদুর সংগ্রাম পরিষদ আলু, সবজিসহ সকল কৃষিপণ্যের ন্যূনতম লাভজনক মূল্য ঘোষণা এবং স্থায়ী কৃষি কমিশনসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।

 

সংগঠনটি বলেছে, দেশের ৮৫ ভাগ মানুষ চাষী ও মজদুর হলেও তারা নানা সংকটে জর্জরিত।
আজ (১১ জানুয়ারি, ২০২৬) ঢাকার তোপখানা রোডে মেহেরবা প্লাজায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ভূমি আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসির উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন আন্দোলন সংগ্রামে জীবন দেয় আমাদের সন্তান ভাই বোনেরা আর ক্ষমতায় যায় এলিট শ্রেণীর লোকজন, তারা তাদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে আমাদের জন্য তারা কিছুই করে না। ৫৪ বছর পার হলো এরপরেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আমরাদের সাধারণ মানুষ এখনো স্বাধীনতার সাদ ভোগ করতে পারলাম না।
কৃষক ন্যায্য মূল্য পায়না তারা ব্যাংক থেকেও কোন সুযোগ সুবিধা পায় না। বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হচ্ছে কৃষি খাত, যা বরাদ্দ হয় উপর থেকে নিচ পর্যন্ত লুটপাট হতে হতে হাতে কৃষকের কাছে কিছুই পৌঁছায় না।

দাবিগুলো তুলে ধরেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছামিউল আলম রাসু,
আলু, সবজিসহ সকল কৃষিপণ্যের ন্যূনতম লাভজনক মূল্যনীতি ঘোষণা।
কৃষি এলাকায় পর্যাপ্ত হিমাগারসহ কৃষি হাব গড়ে তোলা।
স্থায়ী কৃষি কমিশন গঠন।
স্থায়ী মজুরি কমিশন চাই।
জাতীয় কৃষি নীতির প্রয়োজনীয় সংস্কার।

তিনি আরো বলেন,স্বৈরাচার সরকারের আমলে আমরা কৃষক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অনেক দাবিদাওয়া নিয়ে মাঠে ছিলাম, বর্তমান ইন্টিরিয়ম সরকারের সময়ও আমরা বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছি রাস্তায় দাঁড়িয়েছি স্মারকলিপি দিয়েছি, কিন্তু শুধু আশ্বাস দিয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সাধারণ মানুষের জন্য তারা কিছুই করেনি খুবই হতাশ এ সরকারের প্রতি আমরা ভেবেছিলাম ২৪ এর পরে অন্তত প্রান্তিক অবহেলিত জনগোষ্ঠীর পরিবর্তন হবে।

চাষী মজদুর সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব চাষি মাসুম বলেন, সরকার আসে যায় কিন্তু কৃষকের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, কৃষকরা সময়ে উপকরণ পায় না এবং উৎপাদিত ফসলের ন্যূনতম লাভজনক দাম থেকেও বঞ্চিত হয়। অন্যদিকে সংগঠিত ও অসংগঠিত খাতের মজুররা বেঁচে থাকার মতো মজুরি পান না।
এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং চাষী-মজুরদের চলমান সংকট সমাধানে এই দাবিগুলো জানানো হয়েছে।
আরো বক্তব্য রাখেন মিলি বেগম, মৃনাল কান্তি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি লামিয়া ইসলাম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য ও স্থায়ী কমিশন দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

 বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন এবং চাষী মজদুর সংগ্রাম পরিষদ আলু, সবজিসহ সকল কৃষিপণ্যের ন্যূনতম লাভজনক মূল্য ঘোষণা এবং স্থায়ী কৃষি কমিশনসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।

 

সংগঠনটি বলেছে, দেশের ৮৫ ভাগ মানুষ চাষী ও মজদুর হলেও তারা নানা সংকটে জর্জরিত।
আজ (১১ জানুয়ারি, ২০২৬) ঢাকার তোপখানা রোডে মেহেরবা প্লাজায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ভূমি আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসির উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন আন্দোলন সংগ্রামে জীবন দেয় আমাদের সন্তান ভাই বোনেরা আর ক্ষমতায় যায় এলিট শ্রেণীর লোকজন, তারা তাদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে আমাদের জন্য তারা কিছুই করে না। ৫৪ বছর পার হলো এরপরেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আমরাদের সাধারণ মানুষ এখনো স্বাধীনতার সাদ ভোগ করতে পারলাম না।
কৃষক ন্যায্য মূল্য পায়না তারা ব্যাংক থেকেও কোন সুযোগ সুবিধা পায় না। বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হচ্ছে কৃষি খাত, যা বরাদ্দ হয় উপর থেকে নিচ পর্যন্ত লুটপাট হতে হতে হাতে কৃষকের কাছে কিছুই পৌঁছায় না।

দাবিগুলো তুলে ধরেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছামিউল আলম রাসু,
আলু, সবজিসহ সকল কৃষিপণ্যের ন্যূনতম লাভজনক মূল্যনীতি ঘোষণা।
কৃষি এলাকায় পর্যাপ্ত হিমাগারসহ কৃষি হাব গড়ে তোলা।
স্থায়ী কৃষি কমিশন গঠন।
স্থায়ী মজুরি কমিশন চাই।
জাতীয় কৃষি নীতির প্রয়োজনীয় সংস্কার।

তিনি আরো বলেন,স্বৈরাচার সরকারের আমলে আমরা কৃষক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অনেক দাবিদাওয়া নিয়ে মাঠে ছিলাম, বর্তমান ইন্টিরিয়ম সরকারের সময়ও আমরা বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছি রাস্তায় দাঁড়িয়েছি স্মারকলিপি দিয়েছি, কিন্তু শুধু আশ্বাস দিয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সাধারণ মানুষের জন্য তারা কিছুই করেনি খুবই হতাশ এ সরকারের প্রতি আমরা ভেবেছিলাম ২৪ এর পরে অন্তত প্রান্তিক অবহেলিত জনগোষ্ঠীর পরিবর্তন হবে।

চাষী মজদুর সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব চাষি মাসুম বলেন, সরকার আসে যায় কিন্তু কৃষকের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, কৃষকরা সময়ে উপকরণ পায় না এবং উৎপাদিত ফসলের ন্যূনতম লাভজনক দাম থেকেও বঞ্চিত হয়। অন্যদিকে সংগঠিত ও অসংগঠিত খাতের মজুররা বেঁচে থাকার মতো মজুরি পান না।
এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং চাষী-মজুরদের চলমান সংকট সমাধানে এই দাবিগুলো জানানো হয়েছে।
আরো বক্তব্য রাখেন মিলি বেগম, মৃনাল কান্তি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি লামিয়া ইসলাম প্রমুখ।