নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপদে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে
- আপডেট সময় : ১২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
- / 44
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ আজ ৮ এপ্রিল, বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে যা নিন্ম ও মধ্যবিত্তের মানুষের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা দাম বেড়ে যাওয়ায় পছন্দের পণ্য থেকে সরে এসে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন। কেউ কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।
সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০–৪৩০ টাকায়। রোজায় যা ছিল ২৭০–৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০–১৮০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ৩৪০–৩৫০ টাকায়। গরুর মাংসের কেজি এখন ৮০০ টাকা, যেখানে ঈদের আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়ার দাম ২০ টাকায় বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে লিটারে অন্তত ৫ টাকা। সবজির দাম ২০–৩০ টাকা বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হলেও, বাজারে খুচরা বিক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, দামবৃদ্ধির যথাযথ কারণ নাই। বরং সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজী, অতিমুনাফাখোরি মনোভাবের কারণে দাম বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষকে কষ্ট করতে হয়। আমরা সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি যে, বাজার তদারকি করুন। মজুতদারী ও সিন্ডিকেট করে কেউ যেনো মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে। চাঁদাবাজী বন্ধ করুন। অতিমুনাফাখোলি ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরুন।
বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

































