ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 74
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

দেশের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার নামে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সামান্য অসুস্থতা নিয়েও রোগীরা চিকিৎসকের কাছে গেলে একের পর এক রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে, সিটি স্ক্যানসহ নানা ধরনের টেস্ট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং আর্থিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় রোগের প্রকৃত প্রয়োজন না থাকলেও কমিশন বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাতে চাপ দেওয়া হয়। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক টেস্ট যুক্ত থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

একাধিক রোগী জানান, সাধারণ জ্বর বা পেটের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের কাছে গেলেও ৫ থেকে ১০ ধরনের টেস্ট দেওয়া হচ্ছে। পরে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অধিকাংশ রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে এবং এসব পরীক্ষার কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল না।

সচেতন মহল মনে করছেন, স্বাস্থ্যসেবা খাতের কিছু অসাধু চক্র রোগীদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। তারা বলছেন, চিকিৎসা সেবাকে ব্যবসায়িক মানসিকতা থেকে বের করে এনে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালনা করতে হবে। একইসঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

দেশের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার নামে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সামান্য অসুস্থতা নিয়েও রোগীরা চিকিৎসকের কাছে গেলে একের পর এক রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে, সিটি স্ক্যানসহ নানা ধরনের টেস্ট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং আর্থিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় রোগের প্রকৃত প্রয়োজন না থাকলেও কমিশন বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাতে চাপ দেওয়া হয়। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক টেস্ট যুক্ত থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

একাধিক রোগী জানান, সাধারণ জ্বর বা পেটের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের কাছে গেলেও ৫ থেকে ১০ ধরনের টেস্ট দেওয়া হচ্ছে। পরে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অধিকাংশ রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে এবং এসব পরীক্ষার কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল না।

সচেতন মহল মনে করছেন, স্বাস্থ্যসেবা খাতের কিছু অসাধু চক্র রোগীদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। তারা বলছেন, চিকিৎসা সেবাকে ব্যবসায়িক মানসিকতা থেকে বের করে এনে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালনা করতে হবে। একইসঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।