ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

বিশ্বকাপে অজানা নম্বর থেকে ফোনের ঢল সামলাতে হোয়াটসঅ্যাপ সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছিলেন জেমাইমা

মোজো ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 189
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে এবার চমক দেখিয়েছে ভারত। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়ে যেন আত্মবিশ্বাসের পারদ উঁচুতে উঠেছিল। আর সেই জয়ের নায়ক জেমাইমা রদ্রিগেজ। পুরো টুর্নামেন্টে জ্বলে উঠতে না পারলেও ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ১২৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। আর দলকে ফাইনালে তোলার পর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন এই ব্যাটার। ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।
‘ভালোবাসার অত্যাচারে’ এই কাজটি করেছিলেন জেমাইমা। সেমিফাইনালের ওই ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পর শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে গিয়েছিল তার মোবাইল। একের পর এক অজানা নম্বর থেকে ফোন আসছিল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থামাতে হোয়াটসঅ্যাপ আনইনস্টলের বিকল্প ছিল না তার সামনে। কারণ এত ফোনকল আসায় ফাইনালে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতো।
ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ২৫ বছর বয়সী ক্রিকেটার বলেন, ‘সেমিফাইনালের পরে ফোন বাজা যেন থামছিল না। আমি জানি না কীভাবে অজানা ব্যক্তিরা আমার নম্বর পেয়েছিলেন। আমি একটুও বাড়িয়ে বলছি না, হোয়াটসঅ্যাপে প্রায় ১০০০-এর উপর মেসেজ পেয়েছিলাম। এমনিই ওই ম্যাচে অনেক কিছু ঘটেছিল। তাই আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল।’
ফাইনালের আগে ফোকাস নষ্ট হোক, সেটা কোনও মতেই চাননি জেমাইমা, ‘আমি মেসেজ খুলে না দেখলেও সবসময়েই ফোন বাজছিল। তাই ফাইনালের আগে ফোকাস রাখার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ আনইনস্টল করেছিলাম। ম্যাচ শেষের একটা আপডেট দেওয়া ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরেই ছিলাম।’
ফাইনালে ট্রফি জেতার পর হোয়াটসঅ্যাপ ফের ইনস্টল করে সবার উত্তর দেন জেমাইমা। তিনি বলেছেন, ‘এখন সোশাল মিডিয়া খুললেই নিজের ভিডিও বা দলের জয়ের ছবি দেখতে পাই। কেউ না কেউ আমাকে নিয়ে কথা বলেই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্বকাপে অজানা নম্বর থেকে ফোনের ঢল সামলাতে হোয়াটসঅ্যাপ সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছিলেন জেমাইমা

আপডেট সময় : ০৭:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে এবার চমক দেখিয়েছে ভারত। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়ে যেন আত্মবিশ্বাসের পারদ উঁচুতে উঠেছিল। আর সেই জয়ের নায়ক জেমাইমা রদ্রিগেজ। পুরো টুর্নামেন্টে জ্বলে উঠতে না পারলেও ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ১২৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। আর দলকে ফাইনালে তোলার পর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন এই ব্যাটার। ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।
‘ভালোবাসার অত্যাচারে’ এই কাজটি করেছিলেন জেমাইমা। সেমিফাইনালের ওই ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পর শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে গিয়েছিল তার মোবাইল। একের পর এক অজানা নম্বর থেকে ফোন আসছিল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থামাতে হোয়াটসঅ্যাপ আনইনস্টলের বিকল্প ছিল না তার সামনে। কারণ এত ফোনকল আসায় ফাইনালে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতো।
ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ২৫ বছর বয়সী ক্রিকেটার বলেন, ‘সেমিফাইনালের পরে ফোন বাজা যেন থামছিল না। আমি জানি না কীভাবে অজানা ব্যক্তিরা আমার নম্বর পেয়েছিলেন। আমি একটুও বাড়িয়ে বলছি না, হোয়াটসঅ্যাপে প্রায় ১০০০-এর উপর মেসেজ পেয়েছিলাম। এমনিই ওই ম্যাচে অনেক কিছু ঘটেছিল। তাই আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল।’
ফাইনালের আগে ফোকাস নষ্ট হোক, সেটা কোনও মতেই চাননি জেমাইমা, ‘আমি মেসেজ খুলে না দেখলেও সবসময়েই ফোন বাজছিল। তাই ফাইনালের আগে ফোকাস রাখার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ আনইনস্টল করেছিলাম। ম্যাচ শেষের একটা আপডেট দেওয়া ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরেই ছিলাম।’
ফাইনালে ট্রফি জেতার পর হোয়াটসঅ্যাপ ফের ইনস্টল করে সবার উত্তর দেন জেমাইমা। তিনি বলেছেন, ‘এখন সোশাল মিডিয়া খুললেই নিজের ভিডিও বা দলের জয়ের ছবি দেখতে পাই। কেউ না কেউ আমাকে নিয়ে কথা বলেই।’