ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

রোজায় নেবুলাইজারের হুকুমাত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 59
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্বাসকষ্টে ভোগেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শ্বাসকষ্ট কমাতে অন্য ওষুধের পাশাপাশি অনেকেই ইনহেলার ও নেবুলাইজার নেন। নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।

রোজা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু প্রবেশ করলেই রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। সেই হিসেবে নেবুলাইজার ব্যবহারের কারণে রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীতে কাজা আদায় করতে হবে।

আর যদি রোগী এতোটা অক্ষম হন যে তার পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব নয়, তাহলে প্রতিটি রোজার জন্য একটি করে ফিদিয়া আদায় করতে হবে।

প্রত্যেক রোজার ফিদইয়া হলো সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ। অর্থাৎ, ১.৫ কেজি ৭৪ গ্রাম ৬৪০ মি.গ্রা. বা তার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া যেতে পারে।  একজন গরিবকে প্রতিদিন ১ ফিতরা পরিমাণ করে ৬০ দিন দিলেও আদায় হবে। ৬০ দিনের ফিতরা পরিমাণ একত্রে বা এক দিনে দিলে আদায় হবে না।

শ্বাস কষ্টের রোগীদের অনেকে ইনহেলারও ব্যবহার করেন। ইনহেলার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে মুখের ভেতরভাগে স্প্রে করতে হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস চলাচলের কষ্ট দূর হয়। যদিও স্প্রে করার সময় ওষুধটি গ্যাসের মতো দেখায়, কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এটি দেহবিশিষ্ট তরল ওষুধ। তাই মুখের ভেতরে স্প্রে করার কারণে রোজা ভেঙে যাবে।

তাই রোজা অবস্থায় কেউ ইনহেলার ব্যবহার করে থাকলে, পরে রোজার কাজা আদায় করে দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রোজায় নেবুলাইজারের হুকুমাত

আপডেট সময় : ১২:১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শ্বাসকষ্টে ভোগেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শ্বাসকষ্ট কমাতে অন্য ওষুধের পাশাপাশি অনেকেই ইনহেলার ও নেবুলাইজার নেন। নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।

রোজা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু প্রবেশ করলেই রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। সেই হিসেবে নেবুলাইজার ব্যবহারের কারণে রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীতে কাজা আদায় করতে হবে।

আর যদি রোগী এতোটা অক্ষম হন যে তার পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব নয়, তাহলে প্রতিটি রোজার জন্য একটি করে ফিদিয়া আদায় করতে হবে।

প্রত্যেক রোজার ফিদইয়া হলো সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ। অর্থাৎ, ১.৫ কেজি ৭৪ গ্রাম ৬৪০ মি.গ্রা. বা তার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া যেতে পারে।  একজন গরিবকে প্রতিদিন ১ ফিতরা পরিমাণ করে ৬০ দিন দিলেও আদায় হবে। ৬০ দিনের ফিতরা পরিমাণ একত্রে বা এক দিনে দিলে আদায় হবে না।

শ্বাস কষ্টের রোগীদের অনেকে ইনহেলারও ব্যবহার করেন। ইনহেলার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে মুখের ভেতরভাগে স্প্রে করতে হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস চলাচলের কষ্ট দূর হয়। যদিও স্প্রে করার সময় ওষুধটি গ্যাসের মতো দেখায়, কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এটি দেহবিশিষ্ট তরল ওষুধ। তাই মুখের ভেতরে স্প্রে করার কারণে রোজা ভেঙে যাবে।

তাই রোজা অবস্থায় কেউ ইনহেলার ব্যবহার করে থাকলে, পরে রোজার কাজা আদায় করে দিতে হবে।