ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংবিধান সংশোধন করে আরও ক্ষমতা দেওয়া হলো অসীম মুনিরকে

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৭৭২ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এটির সারসংক্ষেপ প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছান।
ভারতের বিরুদ্ধে চারদিনের যুদ্ধ শেষে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগামী ২৯ ডিসেম্বর তার সেনাপ্রধান থাকার মেয়াদ শেষ হতো। এরআগে সংবিধান সংশোধন করে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর প্রধান নামে নতুন একটি পদ তৈরি করে। সেখানে অসীম মুনিরকে দীর্ঘ পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে করে নতুন দায়িত্বসহ তার সেনাপ্রধানের মেয়াদও বেড়েছে।
গত ১৫ নভেম্বর পাকিস্তানের সংবিধানে ২৭তম সংশোধনী আনা হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তৈরি করা হয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের পদ।
গত ২০ মে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতি দেয় পাকিস্তান সরকার। তিনি দেশটির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ফিল্ড মার্শাল। এরআগে একমাত্র ফিল্ড মার্শাল ছিলেন আইয়ুব খান।
গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মিসাইল হামলা, গোলাবর্ষণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর কয়েকদিন পরই জেনারেল থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে মুনিরকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ যুদ্ধে ভারতের ছয় থেকে সাতটি বিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তান।
অসীম মুনির ২০২২ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের ১১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে মুনির দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পুলওয়ামায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৪০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় তিনি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তখন তার ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সংবিধান সংশোধন করে আরও ক্ষমতা দেওয়া হলো অসীম মুনিরকে

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এটির সারসংক্ষেপ প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছান।
ভারতের বিরুদ্ধে চারদিনের যুদ্ধ শেষে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগামী ২৯ ডিসেম্বর তার সেনাপ্রধান থাকার মেয়াদ শেষ হতো। এরআগে সংবিধান সংশোধন করে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর প্রধান নামে নতুন একটি পদ তৈরি করে। সেখানে অসীম মুনিরকে দীর্ঘ পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে করে নতুন দায়িত্বসহ তার সেনাপ্রধানের মেয়াদও বেড়েছে।
গত ১৫ নভেম্বর পাকিস্তানের সংবিধানে ২৭তম সংশোধনী আনা হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তৈরি করা হয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের পদ।
গত ২০ মে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতি দেয় পাকিস্তান সরকার। তিনি দেশটির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ফিল্ড মার্শাল। এরআগে একমাত্র ফিল্ড মার্শাল ছিলেন আইয়ুব খান।
গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মিসাইল হামলা, গোলাবর্ষণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর কয়েকদিন পরই জেনারেল থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে মুনিরকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ যুদ্ধে ভারতের ছয় থেকে সাতটি বিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তান।
অসীম মুনির ২০২২ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের ১১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে মুনির দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পুলওয়ামায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৪০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় তিনি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তখন তার ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল।