ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সীমান্তে শিশু গুলিবিদ্ধ ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ Logo ৭০ জনের আপিল শুনানি, ৪০ জনের আপিল মঞ্জুর Logo কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য ও স্থায়ী কমিশন দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের Logo স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে: হাইকোর্ট Logo প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬ Logo বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ঢাকা Logo নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পোস্টাল ভোটে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে (ইসি) Logo আমরা সবাই মিলে গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতন করবো: তথ্য সচিব Logo হলফনামায় ৫০ তোলা স্বর্ণ শামা ওবায়েদের, মোট সম্পদ ও বার্ষিক আয় কত ? Logo খেজুর রসে বাদুড়ের লালা থেকে নিপাহ ভাইরাস,৩৪ জেলায় মৃত্যুহার ৭১ শতাংশ

শীতকালে পিরিয়ডে কোন ফলগুলো এড়িয়ে চলবেন

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৬৬৪ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


ফলমূলকে সবচেয়ে পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা প্রায় সব ঋতুতেই খাওয়া যেতে পারে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে। পিরিয়ডের ব্যথা কমানো সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য মানুষ বিভিন্ন ফল পছন্দ করে। তবে পিরিয়ডের সময়, বিশেষ করে শীতকালে, প্রতিটি ফল আপনার জন্য ভালো নয়।
অনেক নারী তাদের পিরিয়ডের সময় তীব্র অস্বস্তি অনুভব করেন, যেমন পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব এবং ক্লান্তি। কিছু ফল বৈজ্ঞানিকভাবে এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় সাহায্য করে বলে জানা গেছে, আবার কিছু ফল পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে, বিশেষ করে শীতের সময়ে।
কেন কিছু ফল পিরিয়ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে?
মেডিকেল ভাষায় ডিসমেনোরিয়া নামে পরিচিত যন্ত্রণাদায়ক পিরিয়ডের ব্যথা, যা মূলত জরায়ুর পেশী সংকোচনের ফলে জরায়ুর আস্তরণ ঝরে যাওয়ার ফলে হয়। পিরিয়ডের সময় আপনি যে ফল খান তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ আপনার খাবারগুলো স্বাস্থ্যের ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলে।
পিরিয়ডের সময় পরিবর্তনগুলো ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই পরিবর্তনগুলো পানি ধরে রাখা, হজম এবং শরীরের তাপমাত্রার পরিবর্তনও ঘটায়। অতএব যে ফলগুলো খুব ঠান্ডা, অতিরিক্ত মিষ্টি, অত্যন্ত অ্যাসিডিক, অথবা গাঁজন থেকে উৎপন্ন হয় সেগুলো আপনার ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। শীতকালে পিরিয়ডের সময় কোন ফলগুলো খাবেন না তা জেনে নিন-
আনারস
আনারসে ব্রোমেলেন নামক একটি যৌগ থাকে যা এর প্রতি সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জরায়ু সংকোচন বৃদ্ধি করতে পারে। এটি কিছু নারী জরায়ুতে মারাত্মকভাবে ক্র্যাম্প সৃষ্টি করতে পারে, সেইসঙ্গে বৃদ্ধি করতে পারে ব্যথাও।
পেঁপে
আধা-পাকা পেঁপে জরায়ুর কার্যকলাপকে উদ্দীপিত করতে পারে। কিছু লোকের জন্য অল্প পরিমাণে ঠিক থাকতে পারে, তবে পিরিয়ডের সময় এই ফল বেশি খেলে তা আপনার পেট ফাঁপার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে।
আঙুর
সুস্বাদু শীতকালীন আঙুর আপনার ক্ষুধা মেটাতে পারে, তবে উচ্চ ফ্রুক্টোজের কারণে এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বা পেট ফাঁপা বাড়াতে পারে। এটি পিরিয়ডের সময় আপনার সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রকে জ্বালাতন করতে পারে।
সাইট্রাস ফল
প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় সাইট্রাস ফল বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য চমৎকার বলে মনে করা হয়, তবে শীতকালে পিরিয়ডের সময় নয়। এ ধরনের ফল অ্যাসিডিক প্রকৃতির, এবং এগুলো অতিরিক্ত খেলে শরীরে অ্যাসিড তৈরি হতে পারে, যার ফলে পিরিয়ডের সময় বমি বমি ভাব বা পেট ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নাশপাতি এবং আপেল
এ ফলগুলো নিজেই প্রধান উদ্বেগের বিষয় নয়, তবে এর ঠান্ডা প্রকৃতি বা তাপমাত্রা সমস্যা সৃষ্টি করে। ফ্রিজে রাখার পরপরই নাশপাতি এবং আপেলের মতো ফল খেলে হজমশক্তি নষ্ট হয়, যা পেট ফাঁপা সৃষ্টি করে। তাই শীতের সময় পিরিয়ড হলে এ ধরনের ফল থেকে দূরে থাকাই ভালো

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শীতকালে পিরিয়ডে কোন ফলগুলো এড়িয়ে চলবেন

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


ফলমূলকে সবচেয়ে পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা প্রায় সব ঋতুতেই খাওয়া যেতে পারে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে। পিরিয়ডের ব্যথা কমানো সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য মানুষ বিভিন্ন ফল পছন্দ করে। তবে পিরিয়ডের সময়, বিশেষ করে শীতকালে, প্রতিটি ফল আপনার জন্য ভালো নয়।
অনেক নারী তাদের পিরিয়ডের সময় তীব্র অস্বস্তি অনুভব করেন, যেমন পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব এবং ক্লান্তি। কিছু ফল বৈজ্ঞানিকভাবে এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় সাহায্য করে বলে জানা গেছে, আবার কিছু ফল পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে, বিশেষ করে শীতের সময়ে।
কেন কিছু ফল পিরিয়ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে?
মেডিকেল ভাষায় ডিসমেনোরিয়া নামে পরিচিত যন্ত্রণাদায়ক পিরিয়ডের ব্যথা, যা মূলত জরায়ুর পেশী সংকোচনের ফলে জরায়ুর আস্তরণ ঝরে যাওয়ার ফলে হয়। পিরিয়ডের সময় আপনি যে ফল খান তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ আপনার খাবারগুলো স্বাস্থ্যের ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলে।
পিরিয়ডের সময় পরিবর্তনগুলো ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই পরিবর্তনগুলো পানি ধরে রাখা, হজম এবং শরীরের তাপমাত্রার পরিবর্তনও ঘটায়। অতএব যে ফলগুলো খুব ঠান্ডা, অতিরিক্ত মিষ্টি, অত্যন্ত অ্যাসিডিক, অথবা গাঁজন থেকে উৎপন্ন হয় সেগুলো আপনার ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। শীতকালে পিরিয়ডের সময় কোন ফলগুলো খাবেন না তা জেনে নিন-
আনারস
আনারসে ব্রোমেলেন নামক একটি যৌগ থাকে যা এর প্রতি সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জরায়ু সংকোচন বৃদ্ধি করতে পারে। এটি কিছু নারী জরায়ুতে মারাত্মকভাবে ক্র্যাম্প সৃষ্টি করতে পারে, সেইসঙ্গে বৃদ্ধি করতে পারে ব্যথাও।
পেঁপে
আধা-পাকা পেঁপে জরায়ুর কার্যকলাপকে উদ্দীপিত করতে পারে। কিছু লোকের জন্য অল্প পরিমাণে ঠিক থাকতে পারে, তবে পিরিয়ডের সময় এই ফল বেশি খেলে তা আপনার পেট ফাঁপার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে।
আঙুর
সুস্বাদু শীতকালীন আঙুর আপনার ক্ষুধা মেটাতে পারে, তবে উচ্চ ফ্রুক্টোজের কারণে এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বা পেট ফাঁপা বাড়াতে পারে। এটি পিরিয়ডের সময় আপনার সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রকে জ্বালাতন করতে পারে।
সাইট্রাস ফল
প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় সাইট্রাস ফল বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য চমৎকার বলে মনে করা হয়, তবে শীতকালে পিরিয়ডের সময় নয়। এ ধরনের ফল অ্যাসিডিক প্রকৃতির, এবং এগুলো অতিরিক্ত খেলে শরীরে অ্যাসিড তৈরি হতে পারে, যার ফলে পিরিয়ডের সময় বমি বমি ভাব বা পেট ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নাশপাতি এবং আপেল
এ ফলগুলো নিজেই প্রধান উদ্বেগের বিষয় নয়, তবে এর ঠান্ডা প্রকৃতি বা তাপমাত্রা সমস্যা সৃষ্টি করে। ফ্রিজে রাখার পরপরই নাশপাতি এবং আপেলের মতো ফল খেলে হজমশক্তি নষ্ট হয়, যা পেট ফাঁপা সৃষ্টি করে। তাই শীতের সময় পিরিয়ড হলে এ ধরনের ফল থেকে দূরে থাকাই ভালো