ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস Logo দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ Logo প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ   Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি

ধীরে ধীরে সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে যেভাবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • / 86
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিয়ের আগে সম্পর্কের দিনগুলোতে একে অপরের প্রতি যে টান থাকে, বিয়ের পর অনেক ক্ষেত্রেই তাতে ভাটা পড়ে। সারাক্ষণ খোঁজখবর নেওয়া, ফোনে কথা বলা বা মেসেজ করার সেই অভ্যাস যেন হঠাৎ বদলে যায়। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে হয়ে গিয়েছে মানেই সম্পর্কের বাড়তি যত্নের আর প্রয়োজন নেই—আর ঠিক এখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। ধীরে ধীরে সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে। দাম্পত্য অটুট রাখতে সম্পর্কের কিছু ‘শত্রু’ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি, নতুবা বিচ্ছেদ হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

নিচে সম্পর্কের এমন ৫টি ‘শত্রু’ এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় তুলে ধরা হলো:

১. যোগাযোগের অভাব

যে কোনো সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক যোগাযোগ। যে কোনো কারণেই হোক না কেন, কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একরাশ অভিমান মনে চেপে একজন চুপ হয়ে যান, আর অন্যজনও জানার চেষ্টা করেন না কী হয়েছে। মনে রাখবেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, মুখোমুখি কথা বলা আবশ্যক। কথা বলা বন্ধ করলে ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্ব কেবল বাড়তেই থাকে।

২. স্মার্টফোনে অতিরিক্ত আসক্তি

বর্তমান সময়ে দাম্পত্য কলহের অন্যতম প্রধান কারণ হলো প্রযুক্তির অপব্যবহার। কাজের প্রয়োজনে সারাদিন ফোনে ডুবে থাকলেও, অফিস থেকে ফেরার পর সঙ্গী অপেক্ষা করেন কিছুটা কোয়ালিটি টাইমের জন্য। কিন্তু বাড়ি ফিরেও যদি ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন থাকেন, তবে নিজেদের মধ্যে আর কথা বলা হয়ে ওঠে না। একই ঘরে থেকেও প্রযুক্তির কারণে তৈরি হয় যোজন যোজন দূরত্ব।

৩. তৃতীয় ব্যক্তির কথায় কান দেওয়া

আপনার জীবনসঙ্গী সম্পর্কে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি নেতিবাচক কিছু বলতেই পারেন। কিন্তু তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা বা সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া বড় ভুল। গুজবে কান না দিয়ে সরাসরি সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের মানুষের হস্তক্ষেপ সম্পর্কের গভীরতা কমিয়ে দেয়।

৪. অহমিকা বা ‘ইগো’

মনে রাখবেন, ভালোবাসার সম্পর্কে ‘ইগো’ বা অহমিকার কোনো জায়গা নেই। প্রতিটি তর্কে বা অশান্তিতে আপনাকেই জিততে হবে—এমন মানসিকতা পরিহার করুন। দাম্পত্যে মান-অভিমান স্বাভাবিক, তবে সমস্যা সমাধানে ইগো দূরে সরিয়ে আগে কথা বলুন। নমনীয়তা সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে।

৫. সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা

অনেকেই দাম্পত্যের ছোটখাটো সমস্যাগুলো গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। এটি সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে করে দেয়। সমস্যা যা-ই হোক না কেন, তা জমিয়ে না রেখে সরাসরি আলোচনা করা উচিত। এড়িয়ে না গিয়ে সমাধান খুঁজলে বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধীরে ধীরে সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে যেভাবে

আপডেট সময় : ১০:৫৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বিয়ের আগে সম্পর্কের দিনগুলোতে একে অপরের প্রতি যে টান থাকে, বিয়ের পর অনেক ক্ষেত্রেই তাতে ভাটা পড়ে। সারাক্ষণ খোঁজখবর নেওয়া, ফোনে কথা বলা বা মেসেজ করার সেই অভ্যাস যেন হঠাৎ বদলে যায়। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে হয়ে গিয়েছে মানেই সম্পর্কের বাড়তি যত্নের আর প্রয়োজন নেই—আর ঠিক এখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। ধীরে ধীরে সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে। দাম্পত্য অটুট রাখতে সম্পর্কের কিছু ‘শত্রু’ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি, নতুবা বিচ্ছেদ হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

নিচে সম্পর্কের এমন ৫টি ‘শত্রু’ এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় তুলে ধরা হলো:

১. যোগাযোগের অভাব

যে কোনো সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক যোগাযোগ। যে কোনো কারণেই হোক না কেন, কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একরাশ অভিমান মনে চেপে একজন চুপ হয়ে যান, আর অন্যজনও জানার চেষ্টা করেন না কী হয়েছে। মনে রাখবেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, মুখোমুখি কথা বলা আবশ্যক। কথা বলা বন্ধ করলে ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্ব কেবল বাড়তেই থাকে।

২. স্মার্টফোনে অতিরিক্ত আসক্তি

বর্তমান সময়ে দাম্পত্য কলহের অন্যতম প্রধান কারণ হলো প্রযুক্তির অপব্যবহার। কাজের প্রয়োজনে সারাদিন ফোনে ডুবে থাকলেও, অফিস থেকে ফেরার পর সঙ্গী অপেক্ষা করেন কিছুটা কোয়ালিটি টাইমের জন্য। কিন্তু বাড়ি ফিরেও যদি ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন থাকেন, তবে নিজেদের মধ্যে আর কথা বলা হয়ে ওঠে না। একই ঘরে থেকেও প্রযুক্তির কারণে তৈরি হয় যোজন যোজন দূরত্ব।

৩. তৃতীয় ব্যক্তির কথায় কান দেওয়া

আপনার জীবনসঙ্গী সম্পর্কে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি নেতিবাচক কিছু বলতেই পারেন। কিন্তু তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা বা সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া বড় ভুল। গুজবে কান না দিয়ে সরাসরি সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের মানুষের হস্তক্ষেপ সম্পর্কের গভীরতা কমিয়ে দেয়।

৪. অহমিকা বা ‘ইগো’

মনে রাখবেন, ভালোবাসার সম্পর্কে ‘ইগো’ বা অহমিকার কোনো জায়গা নেই। প্রতিটি তর্কে বা অশান্তিতে আপনাকেই জিততে হবে—এমন মানসিকতা পরিহার করুন। দাম্পত্যে মান-অভিমান স্বাভাবিক, তবে সমস্যা সমাধানে ইগো দূরে সরিয়ে আগে কথা বলুন। নমনীয়তা সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে।

৫. সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা

অনেকেই দাম্পত্যের ছোটখাটো সমস্যাগুলো গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। এটি সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে করে দেয়। সমস্যা যা-ই হোক না কেন, তা জমিয়ে না রেখে সরাসরি আলোচনা করা উচিত। এড়িয়ে না গিয়ে সমাধান খুঁজলে বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।