ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক Logo ৫ দফা দাবী সহ শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের মানববন্ধন কর্মসূচি Logo পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে বাংলাদেশ Logo পাম্প থেকে তেল নিতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ Logo খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর-এর মমতাময়ী মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার Logo মাদক ও মানব পাচার নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 102
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
তীব্র গ্যাস সংকট, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি এবং ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি এই সংকটের কথা তুলে ধরে। তারা জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ৩০ লাখ কর্মীর এই বিশাল খাতটি ধ্বংসের মুখে পড়বে। সংকট নিরসনে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান অভিযোগ করেন, এলপিজি গ্যাসের বাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে ব্যবসায়ীদের বেসরকারি আমদানিকারকদের হাতে জিম্মি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই অরাজকতা বন্ধে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।
গ্যাস সংকটের পাশাপাশি নতুন আপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে বহিরাগতদের চাঁদাবাজি। মালিকদের অভিযোগ, কিছু অসাধু চক্র শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে রেস্তোরাঁগুলোতে হুমকি-ধমকি ও শারীরিক হামলা চালাচ্ছে। একটি কর্পোরেট গোষ্ঠী ট্রেড ইউনিয়নকে ব্যবহার করে এই খাত দখলের ষড়যন্ত্র করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন। এছাড়া ভোক্তা অধিকার দপ্তরের নিয়মিত অভিযান ও জরিমানাকে ‘লোক দেখানো হয়রানি’ হিসেবে বর্ণনা করে তা বন্ধের দাবি জানান তারা।
রেস্তোরাঁ খাতের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল। ব্যবসায়ীরা সাফ জানিয়েছেন, যদি অবিলম্বে জ্বালানি সংকট সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি বন্ধ না হয়, তবে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন। একইসাথে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে এই খাত রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রাখারও আহ্বান জানান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাত

আপডেট সময় : ০১:০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
তীব্র গ্যাস সংকট, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি এবং ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি এই সংকটের কথা তুলে ধরে। তারা জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ৩০ লাখ কর্মীর এই বিশাল খাতটি ধ্বংসের মুখে পড়বে। সংকট নিরসনে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান অভিযোগ করেন, এলপিজি গ্যাসের বাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে ব্যবসায়ীদের বেসরকারি আমদানিকারকদের হাতে জিম্মি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই অরাজকতা বন্ধে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।
গ্যাস সংকটের পাশাপাশি নতুন আপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে বহিরাগতদের চাঁদাবাজি। মালিকদের অভিযোগ, কিছু অসাধু চক্র শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে রেস্তোরাঁগুলোতে হুমকি-ধমকি ও শারীরিক হামলা চালাচ্ছে। একটি কর্পোরেট গোষ্ঠী ট্রেড ইউনিয়নকে ব্যবহার করে এই খাত দখলের ষড়যন্ত্র করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন। এছাড়া ভোক্তা অধিকার দপ্তরের নিয়মিত অভিযান ও জরিমানাকে ‘লোক দেখানো হয়রানি’ হিসেবে বর্ণনা করে তা বন্ধের দাবি জানান তারা।
রেস্তোরাঁ খাতের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল। ব্যবসায়ীরা সাফ জানিয়েছেন, যদি অবিলম্বে জ্বালানি সংকট সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি বন্ধ না হয়, তবে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন। একইসাথে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে এই খাত রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রাখারও আহ্বান জানান তারা।