ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক Logo ৫ দফা দাবী সহ শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের মানববন্ধন কর্মসূচি Logo পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে বাংলাদেশ Logo পাম্প থেকে তেল নিতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ Logo খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর-এর মমতাময়ী মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার Logo মাদক ও মানব পাচার নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ বরণ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 22
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

প্রতিবেদন: আবির মোহাম্মদ

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলো— মোঃ মুন্না (২৪), মোঃ আকতার হোসেন (৪৫), মোঃ মিরাজ ফকির (২২) এবং মোঃ নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

 

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে ভিকটিম আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

 

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলা রুজুর পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত করে। পরে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। পূর্বের একটি মারধরের ঘটনায় আকতার হোসেনের সঙ্গে বিরোধ এবং টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তারা স্বীকার করেছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

 

প্রতিবেদন: আবির মোহাম্মদ

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলো— মোঃ মুন্না (২৪), মোঃ আকতার হোসেন (৪৫), মোঃ মিরাজ ফকির (২২) এবং মোঃ নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

 

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে ভিকটিম আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

 

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলা রুজুর পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত করে। পরে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। পূর্বের একটি মারধরের ঘটনায় আকতার হোসেনের সঙ্গে বিরোধ এবং টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তারা স্বীকার করেছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।