ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আপনাদের কেন মনে হয়েছে আমি পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছি ? : উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
পরীমনির সঙ্গে তুলনা করায় খেপে গেলেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে ফের আনা হয় দুটি বুলডোজার।
রাফিয়া (১৭ নভেম্বর) সেখানে গিয়েছিলেন। পুলিশ ওই জায়গা থেকে বিক্ষোভকারীদের সরাতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এক সময়ে রাফিয়া পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পাশ থেকে কেউ একজন বলেন, পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছেন এখানে?
এমন কথা শুনে ক্ষিপ্ত হন রাফিয়া। তিনি বারবার জানতে চান কে বলেছে এটা, কে বলেছে? পুলিশের দিকে এগিয়ে গিয়ে বলতে থাকেন, আপনাদের কেন মনে হয়েছে আমি পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছি?
পরে রাফিয়া নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। যেখানে জানিয়েছেন ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।
রাফিয়া বলেন, “দেখেন, একটা স্পষ্ট কথা বলি, ভবিষ্যতে আমার রাজনীতিতে জড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম।  জামায়াত, বিএনপি সবেতেই আমি ডিজাপোয়েন্টেড। এনসিপির প্রতি আশা ছিল, সেই আশা আস্তে আস্তে নিভতেসে।”
ডাকসুর এই সদস্য বলেন, “যত দিন মজলুমের ওপর লাঠিচার্জ হবে, যত দিন স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা সিন্দাবাদের ভূতের মতো আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্রের ঘাড়ে সাওয়ারি হয়ে থাকবে, তত দিন আমি জালিমের বিরুদ্ধে দাঁড়াব। আমার কোনো দল নাই, রাজনৈতিক কোনো স্বার্থ নাই। শুধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ছাড়া আমার কোনো উদ্দেশ্যও নাই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আপনাদের কেন মনে হয়েছে আমি পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছি ? : উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
পরীমনির সঙ্গে তুলনা করায় খেপে গেলেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে ফের আনা হয় দুটি বুলডোজার।
রাফিয়া (১৭ নভেম্বর) সেখানে গিয়েছিলেন। পুলিশ ওই জায়গা থেকে বিক্ষোভকারীদের সরাতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এক সময়ে রাফিয়া পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পাশ থেকে কেউ একজন বলেন, পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছেন এখানে?
এমন কথা শুনে ক্ষিপ্ত হন রাফিয়া। তিনি বারবার জানতে চান কে বলেছে এটা, কে বলেছে? পুলিশের দিকে এগিয়ে গিয়ে বলতে থাকেন, আপনাদের কেন মনে হয়েছে আমি পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছি?
পরে রাফিয়া নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। যেখানে জানিয়েছেন ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।
রাফিয়া বলেন, “দেখেন, একটা স্পষ্ট কথা বলি, ভবিষ্যতে আমার রাজনীতিতে জড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম।  জামায়াত, বিএনপি সবেতেই আমি ডিজাপোয়েন্টেড। এনসিপির প্রতি আশা ছিল, সেই আশা আস্তে আস্তে নিভতেসে।”
ডাকসুর এই সদস্য বলেন, “যত দিন মজলুমের ওপর লাঠিচার্জ হবে, যত দিন স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা সিন্দাবাদের ভূতের মতো আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্রের ঘাড়ে সাওয়ারি হয়ে থাকবে, তত দিন আমি জালিমের বিরুদ্ধে দাঁড়াব। আমার কোনো দল নাই, রাজনৈতিক কোনো স্বার্থ নাই। শুধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ছাড়া আমার কোনো উদ্দেশ্যও নাই।”