ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্রেপ্তারের মুখে অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চেক বাউন্স মামলায় নাম জড়ালো বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন মোরাদাবাদ আদালত। পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি রাজপাল যাদবের মতো আমিশা প্যাটেলও গ্রেপ্তারের মুখে?

একাধিকবার হাজিরা এড়ানোতেই আমিশার বিরুদ্ধে এবার খড়্গহস্ত মোরাদাবাদ কোর্ট। ঠিক কী ঘটেছে?

সূত্র জানায়, এই মামলার সূচনা প্রায় এক দশক আগে। ২০১৭ সালে আমিশার বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন মোরাদাবাদের ইভেন্ট ম্যানেজার পবন ভার্মা। তার অভিযোগ, শহরের এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন অভিনেত্রী। কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির হননি তিনি।

শুধু তাই নয়। মামলাকারীর দাবি, মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছেই অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা চান আমিশা। কিন্তু ইভেন্ট কোম্পানি সেটা দিতে অস্বীকার করলে অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে সোজা মুম্বাই ফিরে আসেন অভিনেত্রী। এরপরই মোরাদাবাদ পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি।

পরবর্তীতে নগদে ১০ লাখ টাকা ফেরত দেন আমিশা। তবে সাড়ে ৪ লাখ এখনও বকেয়া রয়েছে। চেক পেমেন্টের প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেটা মেটাননি তিনি। সেই মর্মেই মোরাদাবাদ আদালতে মামলা দায়ের করেন ওই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা।

সংশ্লিষ্ট মামলায় একাধিকবার আমিশাকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে বারবার নানা কারণ দেখিয়ে তিনি আদালতে উপস্থিত হননি।

সোমবারও মোরাদাবাদ আদালতে নির্ধারিত শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী। এরপরই তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আগামী ২৭ মার্চ কোর্টে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নায়িকাকে।

এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুখ খুলেছেন আমিশা। তার মন্তব্য, “এই মামলা ১৫ বছর আগের। পবন ভার্মাকে সব টাকাই মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন উনি। আমার আইনজীবীরা বিষয়টি দেখছেন।”

তিনি বলেন, “ওই ব্যক্তির মুখোশ খুলে দেওয়া হবে। এজন্য তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই আমি আপাতত আমার কাজে মনোনিবেশ করছি। মিথ্যা রটিয়ে কারও দৃষ্টি আকর্ষণের সময় আমার নেই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গ্রেপ্তারের মুখে অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল

আপডেট সময় : ০১:০১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চেক বাউন্স মামলায় নাম জড়ালো বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন মোরাদাবাদ আদালত। পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি রাজপাল যাদবের মতো আমিশা প্যাটেলও গ্রেপ্তারের মুখে?

একাধিকবার হাজিরা এড়ানোতেই আমিশার বিরুদ্ধে এবার খড়্গহস্ত মোরাদাবাদ কোর্ট। ঠিক কী ঘটেছে?

সূত্র জানায়, এই মামলার সূচনা প্রায় এক দশক আগে। ২০১৭ সালে আমিশার বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন মোরাদাবাদের ইভেন্ট ম্যানেজার পবন ভার্মা। তার অভিযোগ, শহরের এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন অভিনেত্রী। কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির হননি তিনি।

শুধু তাই নয়। মামলাকারীর দাবি, মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছেই অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা চান আমিশা। কিন্তু ইভেন্ট কোম্পানি সেটা দিতে অস্বীকার করলে অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে সোজা মুম্বাই ফিরে আসেন অভিনেত্রী। এরপরই মোরাদাবাদ পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি।

পরবর্তীতে নগদে ১০ লাখ টাকা ফেরত দেন আমিশা। তবে সাড়ে ৪ লাখ এখনও বকেয়া রয়েছে। চেক পেমেন্টের প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেটা মেটাননি তিনি। সেই মর্মেই মোরাদাবাদ আদালতে মামলা দায়ের করেন ওই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা।

সংশ্লিষ্ট মামলায় একাধিকবার আমিশাকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে বারবার নানা কারণ দেখিয়ে তিনি আদালতে উপস্থিত হননি।

সোমবারও মোরাদাবাদ আদালতে নির্ধারিত শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী। এরপরই তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আগামী ২৭ মার্চ কোর্টে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নায়িকাকে।

এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুখ খুলেছেন আমিশা। তার মন্তব্য, “এই মামলা ১৫ বছর আগের। পবন ভার্মাকে সব টাকাই মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন উনি। আমার আইনজীবীরা বিষয়টি দেখছেন।”

তিনি বলেন, “ওই ব্যক্তির মুখোশ খুলে দেওয়া হবে। এজন্য তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই আমি আপাতত আমার কাজে মনোনিবেশ করছি। মিথ্যা রটিয়ে কারও দৃষ্টি আকর্ষণের সময় আমার নেই।”