অমর একুশে: দিনাজপুরে মহিলা দলের নেতৃত্বে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা
- আপডেট সময় : ০৪:১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 101
মোঃ আইনুল ইসলাম,
দিনাজপুর প্রতিনিধি , দেশবর্ণ নিউজ।
মহান International Mother Language Day উপলক্ষে দিনাজপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা মহিলা দলের নেত্রীবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
সকাল বেলায় জেলা বিএনপির কার্যালয়, জেলরোড থেকে শোক-শ্রদ্ধা পদযাত্রা শুরু হয়। নেতাকর্মীরা ফুলের ডালা হাতে সুশৃঙ্খলভাবে বড় মাঠ গোর শহীদ মিনার–এর দিকে অগ্রসর হন। সেখানে পৌঁছে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ছিলেন—
১। অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল — সভাপতি, জেলা বিএনপি, দিনাজপুর।
২। মোঃ আখতারুজ্জামান জুয়েল — সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপি, দিনাজপুর।
৩। মোঃ বখতিয়ার আহমেদ কচি — সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি, দিনাজপুর।
৪। মোঃ রেজাউল ইসলাম গুরু — যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় কমিটি ও সভাপতি, জেলা তাঁতীদল, দিনাজপুর।
৫। মোঃ হাসিনুর রহমান হাসু খাঁন — সাধারণ সম্পাদক, জেলা তাঁতীদল, দিনাজপুর।
৬। সারা জিন্নাত আরা বেগম — সভাপতি, জেলা মহিলা দল, দিনাজপুর।
৭। শাহীন সুলতানা বিউটি — সাধারণ সম্পাদক, জেলা মহিলা দল, দিনাজপুর।
এছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
একুশের চেতনা ও প্রাসঙ্গিকতা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগ আজও জাতিকে অনুপ্রাণিত করে। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় শহীদদের রক্তদান বাঙালির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং মাতৃভাষার মর্যাদা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানানো হয়।
উপসংহার
অমর একুশে শুধু শোকের প্রতীক নয়, এটি আত্মমর্যাদা ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার অঙ্গীকার। দিনাজপুরে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর এই কর্মসূচি ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি জাতীয় চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অঙ্গীকারে স্মরণ করা হলো ভাষা শহীদদের।




























































