ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

বাজার এখন খুব গরম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 58
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষ হলেও নিত্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই থেকে যাচ্ছে। মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো মাছ।

অন্যদিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজিতে, আর ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯৫ টাকা। বাজারে একের পর এক পণ্যের দাম বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, বিপাকে পড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা দরে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম কমেছে ২০ টাকা।

একইভাবে দাম কমেছে সোনালি জাতের মুরগিরও। এই জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে প্রতি কেজিতে গুনতে হচ্ছে ৩৪০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩,৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি। আকার ও জাতভেদে চিংড়ি কিনতে প্রতি কেজিতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা ইদ্রিস মিয়া বলেন, “ব্রয়লার কিনতে এসে দেখি কেজি ১৯৫ টাকা দাম চাচ্ছে। দাম কিছুটা কমেছে। সোনালির বাজার তো আমাদের জন্য না। এটা শৌখিন মানুষের খাবারের কাতারে চলে গেছে। আমরা ব্রয়লারেই সন্তুষ্ট।”

আরেক ক্রেতা শফিকুল আলম বলেন, “বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আরেকটু কমলে সবার কেনার সামর্থ্যের মধ্যে চলে আসবে। ঈদের সময় তো ২২০ টাকা কেজি কিনতে হয়েছে।”

রাজধানীর রায়েরবাজারের ক্রেতা বজলুর রহমান বলেন, “রোজা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাড়তি চাহিদার কারণে যে কটি পণ্যের দাম বেড়েছিল, তার মধ্যে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগি অন্যতম। এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায় ঈদের কয়েক দিন আগেই। ক্রেতাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদ শেষে এসব পণ্যের দাম আবার আগের জায়গায় নেমে আসবে। কিন্তু এসব পণ্য আগের মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।”

একই বাজারে মাছ ব্যবসায়ী সৌরভ আহমেদ বলেন, “মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি মাছে ২০-৩০ টাকা কমেছে। আজকে এক কেজি পাঙ্গাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করছি, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। সব মাছ আগের মতোই আছে। আর মাছের বাজার ২০-৩০ টাকা ওঠানামা করেই থাকে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাজার এখন খুব গরম

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষ হলেও নিত্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই থেকে যাচ্ছে। মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো মাছ।

অন্যদিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজিতে, আর ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯৫ টাকা। বাজারে একের পর এক পণ্যের দাম বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, বিপাকে পড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা দরে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম কমেছে ২০ টাকা।

একইভাবে দাম কমেছে সোনালি জাতের মুরগিরও। এই জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে প্রতি কেজিতে গুনতে হচ্ছে ৩৪০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩,৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি। আকার ও জাতভেদে চিংড়ি কিনতে প্রতি কেজিতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা ইদ্রিস মিয়া বলেন, “ব্রয়লার কিনতে এসে দেখি কেজি ১৯৫ টাকা দাম চাচ্ছে। দাম কিছুটা কমেছে। সোনালির বাজার তো আমাদের জন্য না। এটা শৌখিন মানুষের খাবারের কাতারে চলে গেছে। আমরা ব্রয়লারেই সন্তুষ্ট।”

আরেক ক্রেতা শফিকুল আলম বলেন, “বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আরেকটু কমলে সবার কেনার সামর্থ্যের মধ্যে চলে আসবে। ঈদের সময় তো ২২০ টাকা কেজি কিনতে হয়েছে।”

রাজধানীর রায়েরবাজারের ক্রেতা বজলুর রহমান বলেন, “রোজা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাড়তি চাহিদার কারণে যে কটি পণ্যের দাম বেড়েছিল, তার মধ্যে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগি অন্যতম। এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায় ঈদের কয়েক দিন আগেই। ক্রেতাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদ শেষে এসব পণ্যের দাম আবার আগের জায়গায় নেমে আসবে। কিন্তু এসব পণ্য আগের মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।”

একই বাজারে মাছ ব্যবসায়ী সৌরভ আহমেদ বলেন, “মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি মাছে ২০-৩০ টাকা কমেছে। আজকে এক কেজি পাঙ্গাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করছি, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। সব মাছ আগের মতোই আছে। আর মাছের বাজার ২০-৩০ টাকা ওঠানামা করেই থাকে।”