ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

জ্বালানি তেলের রেশনিং সীমা তুলে নিয়েছে সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / 152
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেলের রেশনিং সীমা তুলে নিয়েছে সরকার। যার ফলে শনিবার রাত থেকে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহন ইচ্ছামতো জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, “আগে শহর ও দূরপাল্লার রুটে চলা বাসের জন্য জ্বালানি সরবরাহের ওপর যে বিধিনিষেধ ছিল, তা আর থাকছে না।”

মন্ত্রী জানান, আজ রাত থেকে গণপরিবহনগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাবে এবং দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থার জন্য রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে জ্বালানিখাতে বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছিল। ফিলিং স্টেশনগুলোতে বাড়তি জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা দেয়। এই অবস্থায় সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে জ্বালানি রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে দরকার।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনকে নির্দেশনা দিয়েছিল যাতে তারা বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে বিক্রি করা জ্বালানি পরিমাণ সীমিত করে।

এই নির্দেশনার অধীনে, মোটরসাইকেলগুলো দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রোল বা অকটেন সংগ্রহ করতে পারত। ব্যক্তিগত গাড়ি ১০ লিটারের বেশি পেত না।

বড় ব্যক্তিগত যানবাহন যেমন স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল এবং মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার ফুয়েল সংগ্রহের অনুমতি ছিল। পিকআপ ট্রাক এবং স্থানীয়ভাবে চলা বাসগুলো ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল সংগ্রহ করতে পারত।

ভারী যানবাহন এবং দূরপাল্লার পরিবহন, যার মধ্যে আন্তঃজেলা বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এবং কনটেইনার ক্যারিয়ার ছিল, তাদের জন্য দৈনিক ফুয়েল সীমা ২০০ থেকে ২২০ লিটার নির্ধারিত ছিল।

গণপরিবহনের জন্য রেশনিং তুলে নেওয়া হলেও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসেনি। ফলে মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য পূর্ববর্তী বিধিনিষেধ কার্যকর থাকতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থিতিশীল বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন ব্যবসায়ীরা মনে করেন, পাবলিক ট্রান্সপোর্টের জন্য রেশনিং তুলে নেওয়া হলে বাস পরিষেবার কার্যক্রমে চাপ কমবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জ্বালানি তেলের রেশনিং সীমা তুলে নিয়েছে সরকার

আপডেট সময় : ১১:৩৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেলের রেশনিং সীমা তুলে নিয়েছে সরকার। যার ফলে শনিবার রাত থেকে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহন ইচ্ছামতো জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, “আগে শহর ও দূরপাল্লার রুটে চলা বাসের জন্য জ্বালানি সরবরাহের ওপর যে বিধিনিষেধ ছিল, তা আর থাকছে না।”

মন্ত্রী জানান, আজ রাত থেকে গণপরিবহনগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাবে এবং দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থার জন্য রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে জ্বালানিখাতে বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছিল। ফিলিং স্টেশনগুলোতে বাড়তি জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা দেয়। এই অবস্থায় সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে জ্বালানি রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে দরকার।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনকে নির্দেশনা দিয়েছিল যাতে তারা বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে বিক্রি করা জ্বালানি পরিমাণ সীমিত করে।

এই নির্দেশনার অধীনে, মোটরসাইকেলগুলো দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রোল বা অকটেন সংগ্রহ করতে পারত। ব্যক্তিগত গাড়ি ১০ লিটারের বেশি পেত না।

বড় ব্যক্তিগত যানবাহন যেমন স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল এবং মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার ফুয়েল সংগ্রহের অনুমতি ছিল। পিকআপ ট্রাক এবং স্থানীয়ভাবে চলা বাসগুলো ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল সংগ্রহ করতে পারত।

ভারী যানবাহন এবং দূরপাল্লার পরিবহন, যার মধ্যে আন্তঃজেলা বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এবং কনটেইনার ক্যারিয়ার ছিল, তাদের জন্য দৈনিক ফুয়েল সীমা ২০০ থেকে ২২০ লিটার নির্ধারিত ছিল।

গণপরিবহনের জন্য রেশনিং তুলে নেওয়া হলেও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসেনি। ফলে মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য পূর্ববর্তী বিধিনিষেধ কার্যকর থাকতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থিতিশীল বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন ব্যবসায়ীরা মনে করেন, পাবলিক ট্রান্সপোর্টের জন্য রেশনিং তুলে নেওয়া হলে বাস পরিষেবার কার্যক্রমে চাপ কমবে।