ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

যুদ্ধ চলুক, কিন্তু আত্মসমর্পণ নয় : ত্রিতা পারসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 147
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
যুদ্ধ চলুক, কিন্তু আত্মসমর্পণ নয়। ইরানকে ঘিরে বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এমনটাই মনে করছেন কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট-এর সহ প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের কৌশল হচ্ছে যতক্ষণ না কেউ নতি স্বীকার করছে, ততক্ষণ দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে টার্গেট করে যাওয়া।
পারসি এই কৌশলকে সরাসরি ভুল গণনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী এনে চাপ সৃষ্টি করলে ইরানিরা আত্মসমর্পণে রাজি হবে। কিন্তু তার ভাষায়, এই বিশেষ ধর্মতাত্ত্বিক শাসনব্যবস্থা যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়।
তার ব্যাখ্যা, ইরান সরকার বিশ্বাস করে তারা যুদ্ধ থেকে টিকে ফিরতে পারে। কিন্তু আত্মসমর্পণ করলে তাদের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যাবে। পারসি বলেন, নতি স্বীকার করবে এমন কাউকে খুঁজে পেতে হলে শুধু নেতৃত্বের স্তর সরালেই হবে না, পুরো দেশকেই ধ্বংস করতে হবে।
তিনি সতর্ক করেন, ট্রাম্প প্রশাসন জানে না এটি করতে কত সময় লাগবে, এমনকি তা আদৌ সম্ভব কি না। এই সময়ের মধ্যে ইরানের কৌশল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সৈন্য, বিশ্ব অর্থনীতি, প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া, যাতে ট্রাম্পের জন্য অভিযান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
এর আগে গতকাল রবিবার (১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রিভল্যুশনারি গার্ড, ইরানের সেনাবাহিনী, পুলিশকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানান। তিনি পূর্ণ দায়মুক্তি গ্রহণের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। তার ভাষায়, দৃশ্যটা মোটেও সুখকর হবে না।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানের এলিট রিভল্যুশনারি গার্ডস IRGC-এর সদর দপ্তর ধ্বংস করেছে।
খামেনির মৃত্যুর এক দিন পর যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে। মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব অর্থনীতি অনিশ্চয়তায় পড়েছে। শিপিং সেক্টর, বিমান চলাচল, তেলের বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট।
সূত্র: আল-জাজিরা/আরব নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুদ্ধ চলুক, কিন্তু আত্মসমর্পণ নয় : ত্রিতা পারসি

আপডেট সময় : ০৭:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
যুদ্ধ চলুক, কিন্তু আত্মসমর্পণ নয়। ইরানকে ঘিরে বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এমনটাই মনে করছেন কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট-এর সহ প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের কৌশল হচ্ছে যতক্ষণ না কেউ নতি স্বীকার করছে, ততক্ষণ দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে টার্গেট করে যাওয়া।
পারসি এই কৌশলকে সরাসরি ভুল গণনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী এনে চাপ সৃষ্টি করলে ইরানিরা আত্মসমর্পণে রাজি হবে। কিন্তু তার ভাষায়, এই বিশেষ ধর্মতাত্ত্বিক শাসনব্যবস্থা যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়।
তার ব্যাখ্যা, ইরান সরকার বিশ্বাস করে তারা যুদ্ধ থেকে টিকে ফিরতে পারে। কিন্তু আত্মসমর্পণ করলে তাদের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যাবে। পারসি বলেন, নতি স্বীকার করবে এমন কাউকে খুঁজে পেতে হলে শুধু নেতৃত্বের স্তর সরালেই হবে না, পুরো দেশকেই ধ্বংস করতে হবে।
তিনি সতর্ক করেন, ট্রাম্প প্রশাসন জানে না এটি করতে কত সময় লাগবে, এমনকি তা আদৌ সম্ভব কি না। এই সময়ের মধ্যে ইরানের কৌশল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সৈন্য, বিশ্ব অর্থনীতি, প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া, যাতে ট্রাম্পের জন্য অভিযান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
এর আগে গতকাল রবিবার (১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রিভল্যুশনারি গার্ড, ইরানের সেনাবাহিনী, পুলিশকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানান। তিনি পূর্ণ দায়মুক্তি গ্রহণের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। তার ভাষায়, দৃশ্যটা মোটেও সুখকর হবে না।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানের এলিট রিভল্যুশনারি গার্ডস IRGC-এর সদর দপ্তর ধ্বংস করেছে।
খামেনির মৃত্যুর এক দিন পর যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে। মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব অর্থনীতি অনিশ্চয়তায় পড়েছে। শিপিং সেক্টর, বিমান চলাচল, তেলের বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট।
সূত্র: আল-জাজিরা/আরব নিউজ