ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 60
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

প্রতিবেদন: আবির মোহাম্মদ

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলো— মোঃ মুন্না (২৪), মোঃ আকতার হোসেন (৪৫), মোঃ মিরাজ ফকির (২২) এবং মোঃ নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

 

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে ভিকটিম আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

 

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলা রুজুর পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত করে। পরে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। পূর্বের একটি মারধরের ঘটনায় আকতার হোসেনের সঙ্গে বিরোধ এবং টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তারা স্বীকার করেছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

 

প্রতিবেদন: আবির মোহাম্মদ

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলো— মোঃ মুন্না (২৪), মোঃ আকতার হোসেন (৪৫), মোঃ মিরাজ ফকির (২২) এবং মোঃ নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

 

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে ভিকটিম আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

 

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলা রুজুর পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত করে। পরে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। পূর্বের একটি মারধরের ঘটনায় আকতার হোসেনের সঙ্গে বিরোধ এবং টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তারা স্বীকার করেছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।