ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ এবার ট্রলের মুখে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 100
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বলিউড হোক বা টলিউড তারকাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিং এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে এবার ট্রলের মুখে পড়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। অভিনেতার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলে নেটদুনিয়ার একাংশ যখন উত্তাল, ঠিক তখনই তার সমর্থনে ঢাল হয়ে দাড়ালেন নামী প্রযোজক ভূষণ কুমার।
ঘটনার সূত্রপাত দিলজিতের একটি পাঞ্জাবি ছবিকে কেন্দ্র করে। সেখানে এক পাকিস্তানি অভিনেত্রীর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন নেটিজেনদের একটি অংশ। বিশেষ করে ভারতজুড়ে যখন পাকিস্তানকে বয়কটের ডাক উঠেছে, তখন দিলজিতের ছবিতে পাকিস্তানি শিল্পীর থাকাটা ভালোভাবে নেননি অনেকে।
এই ইস্যুতেই তাকে ‘দেশবিরোধী’ তকমা দিয়ে আক্রমণ করা হচ্ছে। এমনকি আসন্ন বড় বাজেটের ছবি ‘বর্ডার ২’-তে দিলজিতের কাস্টিং নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিরোধিতা। দিলজিতের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন টি-সিরিজের কর্ণধার ভূষণ কুমার।
একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বলল, তার ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব। একজন অভিনেতার মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার প্রতিভা এবং পেশাদারিত্বের নিরিখে। তিনি অতীতে কী করেছেন বা কোন ভাষায় কাজ করেছেন, সেটা বড় কথা নয়।’
ভূষণ কুমার আরও যোগ করেন, সিনেমা একটি সৃজনশীল মাধ্যম যেখানে গল্প আর অভিনয়ই শেষ কথা। তার মতে, যারা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখেন, তারা গল্পের টানেই যান; ট্রল দেখে সিনেমা বিচার করেন না।
শুধু ভূষণ কুমারই নন, এই বিতর্কে দিলজিতের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির একঝাঁক পরিচালক ও শিল্পী। তাদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার চাপে নতিস্বীকার করলে কাজের স্বাধীনতা নষ্ট হবে।
শিল্পীদের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ইস্যু করে তাঁদের ক্যারিয়ার নষ্ট করার প্রচেষ্টাকে অনেকেই নিন্দনীয় বলে মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ এবার ট্রলের মুখে

আপডেট সময় : ০৬:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
বলিউড হোক বা টলিউড তারকাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিং এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে এবার ট্রলের মুখে পড়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। অভিনেতার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলে নেটদুনিয়ার একাংশ যখন উত্তাল, ঠিক তখনই তার সমর্থনে ঢাল হয়ে দাড়ালেন নামী প্রযোজক ভূষণ কুমার।
ঘটনার সূত্রপাত দিলজিতের একটি পাঞ্জাবি ছবিকে কেন্দ্র করে। সেখানে এক পাকিস্তানি অভিনেত্রীর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন নেটিজেনদের একটি অংশ। বিশেষ করে ভারতজুড়ে যখন পাকিস্তানকে বয়কটের ডাক উঠেছে, তখন দিলজিতের ছবিতে পাকিস্তানি শিল্পীর থাকাটা ভালোভাবে নেননি অনেকে।
এই ইস্যুতেই তাকে ‘দেশবিরোধী’ তকমা দিয়ে আক্রমণ করা হচ্ছে। এমনকি আসন্ন বড় বাজেটের ছবি ‘বর্ডার ২’-তে দিলজিতের কাস্টিং নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিরোধিতা। দিলজিতের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন টি-সিরিজের কর্ণধার ভূষণ কুমার।
একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বলল, তার ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব। একজন অভিনেতার মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার প্রতিভা এবং পেশাদারিত্বের নিরিখে। তিনি অতীতে কী করেছেন বা কোন ভাষায় কাজ করেছেন, সেটা বড় কথা নয়।’
ভূষণ কুমার আরও যোগ করেন, সিনেমা একটি সৃজনশীল মাধ্যম যেখানে গল্প আর অভিনয়ই শেষ কথা। তার মতে, যারা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখেন, তারা গল্পের টানেই যান; ট্রল দেখে সিনেমা বিচার করেন না।
শুধু ভূষণ কুমারই নন, এই বিতর্কে দিলজিতের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির একঝাঁক পরিচালক ও শিল্পী। তাদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার চাপে নতিস্বীকার করলে কাজের স্বাধীনতা নষ্ট হবে।
শিল্পীদের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ইস্যু করে তাঁদের ক্যারিয়ার নষ্ট করার প্রচেষ্টাকে অনেকেই নিন্দনীয় বলে মনে করছেন।