ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

দেবকে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 219
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


রুক্মিণী মৈত্র যখন দেবকে প্রথমবার নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তখন পরিবারের ভেতরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি- উত্তেজনা, বিস্ময় আর খানিকটা মজা। কারণ দেব তখন বাংলা ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন, অথচ রুক্মিণীর বাবা তাকে একেবারেই চিনতেন না।
রুক্মিণীর বাবা সিনেমার মানুষ নন। বরং বলা ভালো, তিনি সিনেমা দেখার অভ্যাসই হারিয়ে ফেলেছিলেন বহু বছর আগে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু ছবি, বা শোলে- এই কয়েকটি ক্লাসিক ছাড়া নতুন যুগের কোনও সিনেমাই তার চোখে পড়েনি। নায়কের নাম, ছবির সাফল্য, আলোচিত তারকা- এসব তার বাইরের জগৎ। তাই দেব তার সামনে দাঁড়িয়েও কোনও সেলিব্রিটি পরিচয়ের ভার অনুভব করাতে পারেননি।
এই অজানা পরিচয়ের মাঝেই গড়ে উঠেছিল এক সরল, স্বাভাবিক আলাপচারিতা। দেব নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন একেবারে সহজভাবে- দীপক অধিকারী হিসেবে। বলেছিলেন, তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় পড়েছেন, সামনে রাজনৈতিক পথচলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কথা শুনে রুক্মিণীর বাবারও আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি রাজনীতির বিষয়গুলো খুব ভালো বোঝেন। অভিনেতা না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেব তার সঙ্গে কথা বলেছেন- এটিই রুক্মিণীর পরিবারের কাছে আজও স্মৃতিমধুর।
সেদিনের সেই দেখা কোনও তারকাখ্যাতি কিংবা উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল না। বরং আর পাঁচটা পরিচয়ের মতোই ছিল সহজ, স্বচ্ছ আর সাধারণ। এই সরলতাই নাকি রুক্মিণীর পরিবারকে দেবের প্রতি আরও কাছাকাছি করে দিয়েছিল। আর দেবও বুঝেছিলেন, খ্যাতির জগৎ যতই বড় হোক, পরিবারের ভেতরের এই স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতার মূল্যই সবচেয়ে বেশি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেবকে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


রুক্মিণী মৈত্র যখন দেবকে প্রথমবার নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তখন পরিবারের ভেতরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি- উত্তেজনা, বিস্ময় আর খানিকটা মজা। কারণ দেব তখন বাংলা ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন, অথচ রুক্মিণীর বাবা তাকে একেবারেই চিনতেন না।
রুক্মিণীর বাবা সিনেমার মানুষ নন। বরং বলা ভালো, তিনি সিনেমা দেখার অভ্যাসই হারিয়ে ফেলেছিলেন বহু বছর আগে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু ছবি, বা শোলে- এই কয়েকটি ক্লাসিক ছাড়া নতুন যুগের কোনও সিনেমাই তার চোখে পড়েনি। নায়কের নাম, ছবির সাফল্য, আলোচিত তারকা- এসব তার বাইরের জগৎ। তাই দেব তার সামনে দাঁড়িয়েও কোনও সেলিব্রিটি পরিচয়ের ভার অনুভব করাতে পারেননি।
এই অজানা পরিচয়ের মাঝেই গড়ে উঠেছিল এক সরল, স্বাভাবিক আলাপচারিতা। দেব নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন একেবারে সহজভাবে- দীপক অধিকারী হিসেবে। বলেছিলেন, তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় পড়েছেন, সামনে রাজনৈতিক পথচলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কথা শুনে রুক্মিণীর বাবারও আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি রাজনীতির বিষয়গুলো খুব ভালো বোঝেন। অভিনেতা না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেব তার সঙ্গে কথা বলেছেন- এটিই রুক্মিণীর পরিবারের কাছে আজও স্মৃতিমধুর।
সেদিনের সেই দেখা কোনও তারকাখ্যাতি কিংবা উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল না। বরং আর পাঁচটা পরিচয়ের মতোই ছিল সহজ, স্বচ্ছ আর সাধারণ। এই সরলতাই নাকি রুক্মিণীর পরিবারকে দেবের প্রতি আরও কাছাকাছি করে দিয়েছিল। আর দেবও বুঝেছিলেন, খ্যাতির জগৎ যতই বড় হোক, পরিবারের ভেতরের এই স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতার মূল্যই সবচেয়ে বেশি