ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সীমান্তে শিশু গুলিবিদ্ধ ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ Logo ৭০ জনের আপিল শুনানি, ৪০ জনের আপিল মঞ্জুর Logo কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য ও স্থায়ী কমিশন দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের Logo স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে: হাইকোর্ট Logo প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬ Logo বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ঢাকা Logo নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পোস্টাল ভোটে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে (ইসি) Logo আমরা সবাই মিলে গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতন করবো: তথ্য সচিব Logo হলফনামায় ৫০ তোলা স্বর্ণ শামা ওবায়েদের, মোট সম্পদ ও বার্ষিক আয় কত ? Logo খেজুর রসে বাদুড়ের লালা থেকে নিপাহ ভাইরাস,৩৪ জেলায় মৃত্যুহার ৭১ শতাংশ

দেবকে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৬৬০ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


রুক্মিণী মৈত্র যখন দেবকে প্রথমবার নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তখন পরিবারের ভেতরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি- উত্তেজনা, বিস্ময় আর খানিকটা মজা। কারণ দেব তখন বাংলা ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন, অথচ রুক্মিণীর বাবা তাকে একেবারেই চিনতেন না।
রুক্মিণীর বাবা সিনেমার মানুষ নন। বরং বলা ভালো, তিনি সিনেমা দেখার অভ্যাসই হারিয়ে ফেলেছিলেন বহু বছর আগে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু ছবি, বা শোলে- এই কয়েকটি ক্লাসিক ছাড়া নতুন যুগের কোনও সিনেমাই তার চোখে পড়েনি। নায়কের নাম, ছবির সাফল্য, আলোচিত তারকা- এসব তার বাইরের জগৎ। তাই দেব তার সামনে দাঁড়িয়েও কোনও সেলিব্রিটি পরিচয়ের ভার অনুভব করাতে পারেননি।
এই অজানা পরিচয়ের মাঝেই গড়ে উঠেছিল এক সরল, স্বাভাবিক আলাপচারিতা। দেব নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন একেবারে সহজভাবে- দীপক অধিকারী হিসেবে। বলেছিলেন, তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় পড়েছেন, সামনে রাজনৈতিক পথচলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কথা শুনে রুক্মিণীর বাবারও আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি রাজনীতির বিষয়গুলো খুব ভালো বোঝেন। অভিনেতা না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেব তার সঙ্গে কথা বলেছেন- এটিই রুক্মিণীর পরিবারের কাছে আজও স্মৃতিমধুর।
সেদিনের সেই দেখা কোনও তারকাখ্যাতি কিংবা উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল না। বরং আর পাঁচটা পরিচয়ের মতোই ছিল সহজ, স্বচ্ছ আর সাধারণ। এই সরলতাই নাকি রুক্মিণীর পরিবারকে দেবের প্রতি আরও কাছাকাছি করে দিয়েছিল। আর দেবও বুঝেছিলেন, খ্যাতির জগৎ যতই বড় হোক, পরিবারের ভেতরের এই স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতার মূল্যই সবচেয়ে বেশি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেবকে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


রুক্মিণী মৈত্র যখন দেবকে প্রথমবার নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তখন পরিবারের ভেতরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি- উত্তেজনা, বিস্ময় আর খানিকটা মজা। কারণ দেব তখন বাংলা ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন, অথচ রুক্মিণীর বাবা তাকে একেবারেই চিনতেন না।
রুক্মিণীর বাবা সিনেমার মানুষ নন। বরং বলা ভালো, তিনি সিনেমা দেখার অভ্যাসই হারিয়ে ফেলেছিলেন বহু বছর আগে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু ছবি, বা শোলে- এই কয়েকটি ক্লাসিক ছাড়া নতুন যুগের কোনও সিনেমাই তার চোখে পড়েনি। নায়কের নাম, ছবির সাফল্য, আলোচিত তারকা- এসব তার বাইরের জগৎ। তাই দেব তার সামনে দাঁড়িয়েও কোনও সেলিব্রিটি পরিচয়ের ভার অনুভব করাতে পারেননি।
এই অজানা পরিচয়ের মাঝেই গড়ে উঠেছিল এক সরল, স্বাভাবিক আলাপচারিতা। দেব নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন একেবারে সহজভাবে- দীপক অধিকারী হিসেবে। বলেছিলেন, তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় পড়েছেন, সামনে রাজনৈতিক পথচলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কথা শুনে রুক্মিণীর বাবারও আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি রাজনীতির বিষয়গুলো খুব ভালো বোঝেন। অভিনেতা না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেব তার সঙ্গে কথা বলেছেন- এটিই রুক্মিণীর পরিবারের কাছে আজও স্মৃতিমধুর।
সেদিনের সেই দেখা কোনও তারকাখ্যাতি কিংবা উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল না। বরং আর পাঁচটা পরিচয়ের মতোই ছিল সহজ, স্বচ্ছ আর সাধারণ। এই সরলতাই নাকি রুক্মিণীর পরিবারকে দেবের প্রতি আরও কাছাকাছি করে দিয়েছিল। আর দেবও বুঝেছিলেন, খ্যাতির জগৎ যতই বড় হোক, পরিবারের ভেতরের এই স্বাভাবিকতা এবং আন্তরিকতার মূল্যই সবচেয়ে বেশি